আমি পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের প্রতিহিংসার শিকার: মোজাম্মেল

0
14

যাত্রীদের অধিকার নিয়ে কথা বলায় পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরী। এছাড়া যাত্রী অধিকার নিয়ে কথা বললে পুলিশ তার বিরুদ্ধে ৪০টি মামলা দেবে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যাত্রীদের অধিকার নিয়ে কথা বলি। আর এই কাজ কার্যক্রমের যারা প্রতিপক্ষ, কিছু দুর্বৃত্ত পরিবহন মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি বলে আমি মনে করি। সরকার পরিবহন মালিকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাকে চাপে রাখতে চেয়েছে’।

বাস মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা সরকারকে ভুল বুঝাচ্ছে বলে দাবী করে তিনি বলেন, ‘তারা সরকারের সঙ্গে সবকিছু শেয়ার করার সুযোগ পায়, আমরা সরকারের কাছাকাছি থাকি না, সে কারণে সরকারকে অনেক কিছু বোঝাতে সক্ষম হই না। আমি মনে করি সরকারকে তারা সব সময়ই ভুল বোঝায়। এভাবে ভুল বোঝানোর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সরকারের সঙ্গে আমাদের একটা দূরত্ব তৈরি করে রেখেছে। এই দূরত্ব বাড়ানোই ছিল তাদের পরিকল্পনা’।

[X]

তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ‘রিমান্ড আবেদনের দিন মিরপুর থানার ওসি মো. দাদন ফকির আমাকে বলেছে, আমি মিডিয়াতে যেসব তথ্য উপাত্ত দেই সেগুলো ভুয়া। এইগুলোর জন্য আমার বিরুদ্ধে ৪০টা মামলা দিবে। আমি নাকি জামাত-শিবিরের রাজনীতি করি, এসবও বলেছে। সেও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সুরেই কথা বলেছে’।

অবশ্য মিরপুর থানার ওসি দাদন ফকির মোজাম্মেলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি তাকে এ ধরনের কোনো কথা বলিনি’।

প্রসঙ্গত, গত ৫ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজির এক মামলায় গ্রেপ্তার হন যাত্রী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরী। দুলাল নামের এক ব্যক্তির করা ওই মামলায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর গত ১১ সেপ্টেম্বর তাকে জামিন দেওয়া হলেও গত ফেব্রুয়ারিতে বিস্ফোরক দ্রব্যের আইনের আরেক মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করায় তার মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। পরে ঢাকার মহানগর হাকিম মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম সেই আবেদন খারিজ করে দিলে মোজাম্মেলের মুক্তি নিয়ে সংশয় কাটে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY