ফালুর ভাতিজার বিদেশ ভ্রমণেও দুদকের মানা

0
3

রোববার বিশেষ পুলিশ সুপারের (ইমিগ্রেশন) কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন চিঠি দিয়েছেন বলে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

নাঈম উদ্দিন আহম্মেদ অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করেছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা।

অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাঈম উদ্দিনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আশফাক উদ্দিন আহম্মেদকে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর হাজির হতে নোটিস দিয়েছে দুদক।

ডলার পাচারের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিক তলবেও হাজির না হওয়ায় ফালুসহ তিন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তদন্তে ‘অসযোগিতার’ অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

অপর দুই ব্যবসায়ী হলেন আরএকে পেইন্টস লিমিটেডের পরিচালক শায়লিন জামান আকবর ও স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক প্রতিমা সরকার।

[X]

অফশোর কোম্পানি খুলে ৮০ লাখ ডলার দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে গত ৩ অগাস্ট মোসাদ্দেক আলী ফালু এবং বিএনপি নেতা এস এ কে ইকরামুজ্জামানসহ নয় ব্যবসায়ীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় দুদক।

এরপর ৫ ও ৬ অগাস্ট ওই দুই ব্যবসায়ীসহ ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক।

প্রথম বারের তলবে দুই জন ও দ্বিতীয় বারের তলবে পাঁচ ব্যবসায়ী দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন।

তারা হলেন- আরএকে পেইন্টস লিমিটেডের পরিচালক এস এ কে ইকরামুজ্জামান, তার ছেলে এবং আরএকে পেইন্টস ও আরএকে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের পরিচালক কামার উজ্জামান, আরএকে কনজ্যুমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের পরিচালক মো. আমির হোসাইন ও এম এ মালেক, ঝুলপার বাংলাদেশ লিমিটেড ও রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান, আরএকে পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক মাকসুদুল ইসলাম ও মো. মাকসুদুল ইসলাম ও আরএকে সিরামিকসের স্বতন্ত্র পরিচালক ফাহিমুল হক।

মোসাদ্দেক আলী ফালু ও অন্যদের বিরুদ্ধে ‘বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতর মাধ্যমে’ অবৈধ উপায়ে আট মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬৫ কোটি  টাকা) দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY