খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার উদ্যোগে সকল থানায় একযোগে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে অফিসার ইনচার্জ’গণের ইফতার বিতরণ - দৈনিক কালের বার্তা
কালের বার্তা
বুধবার , ১৩ মার্চ ২০২৪ | ২৭শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. আজকের সর্বশেষ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আরও
  4. ই-পেপার
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জীবনযাপন
  8. ধর্ম
  9. নাগরিক সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. বাংলাদেশ
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা

খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার উদ্যোগে সকল থানায় একযোগে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে অফিসার ইনচার্জ’গণের ইফতার বিতরণ

প্রতিবেদক
কালের বার্তা
মার্চ ১৩, ২০২৪ ৩:২৮ অপরাহ্ণ

ফারহানা আক্তার

খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার জানাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার) মহোদয়ের উদ্যোগে ও দিকনির্দেশনায় মাহে রমজানের প্রথম দিনে খাগড়াছড়ি সকল থানায় এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে অফিসার ইনচার্জ’গণ ইফতার আয়োজন করেছে ।

মঙ্গলবার ১২ মার্চ সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সকল থানায় এতিমখানার শিক্ষার্থীদের সাথে অফিসার ইনচার্জ’গণ ইফতার করেছেন।

এ সময় বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ’গণ বলেন, আজকে পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম দিন।পুলিশ সুপার জানাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার) মহোদয়ের উদ্যোগে ও দিকনির্দেশনায় আমরা ইফতার বিতরণ করতে যাচ্ছি। আপনারা জানেন, সেবাই পুলিশের ধর্ম, পাশাপাশি পুলিশকে মানবিক পুলিশ এবং জনগণের পুলিশ নিদের্শনা রয়েছে। আমাদের পুলিশ প্রধানসহ মাননীয় রেঞ্জ ডিআইজি, মাননীয় পুলিশ সুপারের নিদের্শনায় আমরা জনগণের কাছাকাছি এসে আমাদের সেবাগুলো জনগণের সেবায় পৌঁছে দিতে চাচ্ছি।

এর পাশাপাশি ইফতারের আয়োজন এ ইফতারের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফুটাতে চাচ্ছি। এরই লক্ষ্যে একটা সাধারণ প্রচেষ্ঠা হচ্ছে আজকের ইফতারের আয়োজন।

আমরা বিশ্বাস করি এতিম শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফুটানোর মাধ্যমে আমাদের যে প্রচেষ্ঠা এটা স্বার্থক হবে। এবং আমরা বিশ্বাস করি যে এই সাধারণ মানুষগুলোর হাসিতেই বাংলাদেশ হাসবে। আমরা আজ ৯ টি থানার এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করি।

পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, এই এতিম শিক্ষার্থীরা ও চায় অন্য সব শিক্ষার্থীদের মতো স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে। কিন্তু তারা তা করতে পারে না। তাই এই শিক্ষার্থীদের নিয়ে সকল থানার অফিসার ইনচার্জ’গণ মিলে একসঙ্গে ইফতার করতে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কারণ এই শিক্ষার্থীদের বাবা কিংবা মা যদি বেঁচে থাকতো তাহলে আজ তাদেরকে এতিম হতে হতো না।

আমি তাদের সেই পাওয়াটাকে একটু পূরণ করার চেষ্টা করেছি মাত্র। আগামীতেও এই এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ধরণের কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। তবে সরকারের পাশাপাশি আমরা যারা সমাজের বিত্তবানরা রয়েছি তারা সবাই যদি বিভিন্ন উৎসবে সাধ্যমতো সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এই এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়াই তাহলে এই শিশুদের যে কোন পরিবার নেই সেটা তারা বুঝতে পারতো না। এছাড়া একটি স্বপ্ন বুকে ধারণ করে তারা বড় হওয়ার অনুপ্রেরণাও পেতো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাগণ।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ