চবিতে ৩১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত - দৈনিক কালের বার্তা
কালের বার্তা
বুধবার , ২৭ মার্চ ২০২৪ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. আজকের সর্বশেষ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আরও
  4. ই-পেপার
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জীবনযাপন
  8. ধর্ম
  9. নাগরিক সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. বাংলাদেশ
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা

চবিতে ৩১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি
মার্চ ২৭, ২০২৪ ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ

 

চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে(চবি) ৩১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার উপস্থিতিতে বর্ণিল আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৬ই মার্চ প্রথম প্রহরে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের স্বাধীনতা মূ্র‍্যলে পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসকে।

এদিন সকাল থেকেই শিক্ষক সমিতি, সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন ও ছাত্র সংগঠন স্বাধীনতা মূর‍্যলে পুষ্প অর্পণ করে।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিধি আইনের শাসন ন্যায়বিচার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যহত থাকবে। দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তান শাসন শোষণ থেকে বাঙালি জাতির মুক্তির পথ দেখিয়েছে বঙ্গবন্ধু। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৭৩ আইন বাস্তবায়ন এবং অর্পিত দায়িত্বে সততা নিষ্ঠা আন্তরিকতা দেশপ্রেম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সবাই আমরা একত্রে কাজ করবো।

বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) সেকান্দর চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ এর পর থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের যত অর্জন তারমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানও অনেক। মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বলেছিলেন, বাংলা হলো দোজখপুর নিয়ামত। তারমানে এখানে সোনার নিয়ামতও আছে আবার দুঃশাসন ও আছে।
তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত ও রাশিয়া বাদে বিশ্বের সব মোড়ল বাংলাদেশের বিপক্ষে ছিল তবু আমার দেশের বীরসেনারা যুদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছেন। দেশকে যারা স্বাধীন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন তাদেরকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. বেনু কুমার দে (একাডেমিক) বলেন, শহীদ মিনার, জাতীয় পতাকা, জাতীয় প্রতীক এগুলো আমাদের অহংকার। আমরা এর অবমাননা করতে পারি না। আমরা আজকে এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এসেছি শিক্ষার্থীদের শিখানোর জন্য যে আমরা কীভাবে এ দেশ পেয়েছি। আমাদের শিক্ষার্থীদের স্মার্ট বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা বীরাঙ্গনা মধুমিতা বৈদ্য। তিনি বলেন, আজকে দেখতে দেখতে পৃথিবীরও বয়স হয়েছে, বাংলাদেশেরও বয়স হয়েছে আমারও বয়স হয়েছে। রাজনীতি ধর্মনীতি নারীনীতি সব একসাথেই চলছে। ২৫ ই মার্চ রাতে মিরসরাইয়ে যে গুলির শব্দ হয়েছিল তা মায়েদের সন্তানদের নিয়ে আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন করেছিল।
আমাদের দেশ কখনো বৃদ্ধ হবে না এ চিন্তাভাবনা নিয়ে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে সংরক্ষণ করতে হবে।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ