নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় সব বিষয়ে ফেল, তার পরও ফরম পূরণ না করেই ২০২৬ সালের এসএসসি পর্ক্ষীায় অংশ নিচ্ছে আসিকুর রহমান। ঘটনাটি ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ফরম পূরণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শিক্ষা বোর্ড কীভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র আশিকুর রহমানের প্রবেশপত্র দিলেন- এ মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে (৩৫১) উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনী পরীক্ষায় ১৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিলে কৃতকার্য হয়ে ফরম পূরণ করে ১০২জন। যার মধ্যে আসিকুর রহমানের নাম নেই। তার পিতার নাম জামাল হোসেন, মাতার নাম নার্গিস পারভিন। বোর্ডের রেজিষ্ট্রেশনে অনলাইন পদ্ধতি চালু থাকার পরও কীভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ফরম পূরণ করে আসিক, তা অধ্যক্ষের বোধগম্য নয় এবং তিনি কাগজপত্র দেননি, তা বোর্ডের অভিযোগে উল্লেখ করেন।
আসিকুর রহমান যখন বোর্ড থেকে হাতেহাতে প্রবেশপত্র আনে তখন আ. লতিফ মিয়াসহ ৪৪ জন অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের একজন বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদেরও পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
এ ব্যাপারে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন জানান, উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আসিকুর রহমান মানবিক শাখা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তার রোল নং ৯৯০০৩২, তার রেজি: ২৩১৫১৯৪৭১৪ , বোর্ড থেকে নামের হাজিরা সীটে তার নাম নাই। কিন্তু তার প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রশনকার্ড আছে বিধায় হাজিরা সীট তৈরী করে স্বাক্ষর নিয়েছি।
উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওই ছাত্রকে নিয়ে সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম সহিদুল ইসলাম জানান, পরিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অভিভাবকসহ সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন