অবশেষে চলমান মামলার মধ্যেই চলে গেলো ওমান প্রবাসীর স্ত্রীর অনৈতিক সম্পর্কের ফসল দেড় মাসের হতভাগ্য শিশুটি। পিতৃত্বের পরিচয় শঙ্কটে আদালতে চলছে মামলা। ওমান প্রবাসীর স্ত্রী শারমিন বেগমের অনৈতিক সম্পর্কের ফসল হতভাগ্য সিজার। এক মাস ১৫ দিন আগে শিশু পুত্রটির জন্ম হয়েছিল। বুধবার শিশুটির মৃত্যুর ঘটনা শিশুটির মা শারমিন বেগম গলাচিপা থানায় অবহিত করেন। গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
গলাচিপা থানার পুলিশ ও শিশুটির মা শারমিনের সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার ওমান প্রবাসী শামিম গাজীর স্ত্রী শারমিন বেগমের অনৈতিক সম্পর্কে সিজার নামের একমাস ১৫ দিন আগে একটি শিশু পুত্রের জন্ম হয়। গত ১৬ মে শিশুর মা শারমিন নিজে চিকিৎসার জন্য গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। এসময় শিশুটি তার সাথে ছিলো। বুধবার সকালের দিকে শিশু সিজার অসুস্থ হলে তার মা দ্রুত ইমারজেন্সিতে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শিশু সিজারকে মৃত ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, তিন বছর ধরে ওমানে অবস্থানরত এক প্রবাসীর স্ত্রী শারমিন বেগমের সাথে আপন শ্বশুরের অনৈতিক সম্পর্কের ফলে সন্তান প্রসবের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃ্িট হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ধর্ষণ ও নবজাতক বিক্রির অভিযোগের মামলায় উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের শ্বশুর রুস্তুম গাজী ও লিপি বেগমকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
এ প্রসঙ্গে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. নুর উদ্দিন বলেন, দুপুরের দিকে ইমারজেন্সিতে শারমিন বেগম তার শিশু সিজারকে নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখি শিশুটি আগেই মারা গেছে। পরে বিষয়টি গলাচিপা থানা পুলিশকে অবহিত করি।
এ বিষয়ে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আমরা মৃত শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। এ ঘটনায় গলাচিপা থানায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা সম্ভব হবে।
মন্তব্য করুন